يونيو 2020 - Pure Tips
News Update
Loading...

الأربعاء، 10 يونيو 2020

ফ্রিল্যান্সিং এর সেরা কয়েকটি কাজ


ফ্রিল্যান্সিং এর সেরা কয়েকটি কাজঃ

১) গ্রাফিক ডিজাইন (Graphic Design)
২) ওয়েব-ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-(Web Design & Development)
৩) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization)
৪) অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট (App Development)
৫) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
৬) ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing)
৭) ভিডিও এডিটিং (Video Editing)
৮) আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing)

১) গ্রাফিক ডিজাইন

যেকোন কোম্পানীর লোগো, ব্রুশিয়ার থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রিন্টিং জাতীয় সকল প্রোডাক্ট গ্রাফিক ডিজাইনাররা তৈরি করেন। আবার ওয়েব ডিজাইনের শুরুতে কিংবা ভিডিও এডিটিংয়ের কাজে কিংবা অ্যানিমেশন প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও গ্রাফিক ডিজাইনারদের প্রয়োজন। এমনকি এসইও প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও গ্রাফিক ডিজাইনারদের সাহায্য প্রয়োজন হয়। গ্রাফিক ডিজাইনারদের চাহিদা কেমন এটুকু তথ্যই তার জন্য যথেষ্ট।

২) ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট

আধুনিকযুগে প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এছাড়া অনলাইনে তৈরি হচ্ছে নিউজ পোর্টাল, কমিউনিটি সাইট, টিভি, ব্লগসহ আরও বিভিন্ন ধরনের ওয়েব সাইট। এক হিসেব অনুযায়ি সারাবিশ্বে প্রতি মিনিটে ৫৬২টি করে নতুন ওয়েব সাইট চালু হচ্ছে। আশা করছি এই তথ্যটি ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের কাজের সম্ভাবনা বুঝতে আরও সহজ করে দিবে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত কাজগুলোর প্রতি ঘন্টার রেট গ্রাফিক কিংবা এসইও সম্পর্কিত কাজের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।

৩) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও

বর্তমানে লোকজন তাদের বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো খুজে বের করার জন্য গুগলে সার্চ করে। গুগল এর উপর নির্ভরশীলতা মানুষের দৈনন্দিন কাজকে আরও বেশি সহজ করে দিচ্ছে। যদি কোন কোম্পানী তার সার্ভিস কিংবা প্রোডাক্টকে সম্ভাব্য ক্রেতার সার্চের সময় চোখের সামনে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে ঐ সার্ভিসটি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আর এই কাজটিকেই বলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সংক্ষেপে এসইও। বর্তমানে অনলাইনে মানুষের নির্ভরশীলতা বেড়ে যাওয়ার কারণে সকল কোম্পানী তাদের সার্ভিসকে প্রচারের জন্য অনলাইনকেই সব চাইতে বেশি ব্যবহার করছে। আর সেজন্য যেকোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ভাবে উন্নতির জন্য এসইও এক্সপার্টদের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এসইও এক্সাপার্টদের কাজের ক্ষেত্র গুলো সেজন্য অনেক বেশি।

৪) অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট

যাদের প্রোগ্রামিংয়ে মোটামুটি ধারণা আছে, তাদের জন্য আমার সব সময়ের পরামর্শ থাকে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট শিখে নিন। স্মার্ট ফোনের ব্যবহার বেড়ে যাচ্ছে মানে অ্যাপস ডেভেলপারদের চাহিদাও বেড়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সেক্টরটির চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে এই ধরনের কাজের প্রতিযোগীতা কম থাকে এবং কাজের প্রতি ঘন্টা রেটও অনেক বেশি হয়।

৫) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

কোন প্রতিষ্ঠান এর অনুমতি নিয়ে তাদের মার্কেটিং করে দিলে এবং সেক্ষেত্রে প্রতিটা প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিসের বিক্রির টাকা হতে একটা অংশ পেলে এই বিষয়টিকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। আন্তর্জাতিক ভাবে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসাকে আরো বেশি বড় করার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সিস্টেম চালু রেখেছে। আমাদের দেশে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট, ক্লিক ব্যাংক অ্যাফিলিয়েট অনেক বেশি জনপ্রিয়।

৬) ইমেইল মার্কেটিং

অনলাইনে মার্কেটিং এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। মার্কেটপ্লেসে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফলতার জন্য, কিংবা নিজের বা অন্যের কোন ব্যবসার প্রমোশনের কাজের জন্য ইমেইল মার্কেটিং শিখতে পারেন। কিংবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদির কাজ পাওয়ার জন্য ইমেইল মার্কেটিং এর জ্ঞানটি অনেক বেশি উপকারে আসবে।

৭) ভিডিও এডিটিং

যারা ভিডিও তৈরি কিংবা এডিটিং সম্পর্কিত কাজ জানেন, তারাও অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার দিকে নজর দিতে পারেন। কারণ এসইও, অ্যাডসেন্স থেকে আয় কিংবা অ্যাফিলিয়েশনের আয়ের জন্য বর্তমানে ভিডিও এডিটিংয়ের কাজ জানা থাকলে অনেক ভাল করতে পারবেন। আর বর্তমানে একটা অংশ গুগলে কোন কিছু সার্চ না দিয়ে ইউটিউবেই সার্চ দেয় বেশি। ইউটিউবে সার্চ বৃদ্ধি পাচ্ছে মানে ভিডিও এডিটিংয়ের জ্ঞান এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

৮) আর্টিকেল রাইটিং

ইংরেজি জ্ঞান ভাল থাকলে আর লেখালেখির অভ্যাস থাকলে শুধুমাত্র আর্টিকেল রাইটার হিসেবেই অনলাইনে অনেক ব্যস্ত ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। মার্কেটপ্লেস গুলো আর্টিকেল রাইটিং, রিরাইটিং সম্পর্কিত কাজ গুলো অনেক বেশি থাকে। তাছাড়া এই অভ্যাসকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিং করার মাধ্যমেও আয় করা যায়।

উপরে মূলত প্রধান কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো শিখেও অনলাইনে ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এই কাজ গুলো পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, ব্লগিং করে কিংবা ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেও অনেক ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়।

কেন আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ অলাইনে অসফল


মূলত এই কারণটার জন্য সবার প্রথমে আমি দায়ী করবো অজ্ঞতাকে কারণ ‍আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই আনলাইনে আয়ের ব্যাপারে বেশ অজ্ঞ । তাদের এই ব্যাপারটাতে বেশ দুর্বলতা রয়েছে। তারা অনেকে জানেই না যে কিভাবে অনলাইনে আয় করতে হয় ।

জানে না কিভাবে সঠিকভাবে কাজ শিখতে হয় এবং কোথা থেকে শিখতে হয় । রয়েছে সঠিক প্রশিক্ষণের অভাব । তার সাথে রয়েছে আইসিটি যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারার জ্ঞান।

এখন অবশ্য এসব ব্যাপারে মানুষ বেশ সচেতন হচ্ছে এবং আমাদের সরকার ও এ বিষটিকে বেশ গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন।

এবং অনেকেই সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বেশ ভালো পরিমাণ আয় ও করছে এবং অনেক নতুন শুরু করছেন ।

অজ্ঞতার ব্যাপাটার পরে রয়েছে কি কাজ শিখবো সেটা নিয়ে ধিদা দন্ধ। বেশিরভাগ মানুষেরেই এই ব্যপারটার উপর ৬০% সফল হওয়া না হওয়ার প্রভাব রয়েছে।

অনেকে অনলাইনে কয়েকটা রিভিউ দেখে কাজে লেগে পরে । কোন কাজটা ভালো কিসের চাহিদা বেশি কি কাজ করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে কোন কাজের ইনকাম কেমন। এ রকম কয়েকটা রিভিউ দেখেই বেশিরভাগ কজে নেমে পরে এখানেই করে প্রথম ভূলটা ।

কি অবাক হলেন, অচ্ছা বুজিয়ে বলছি ধরুন আপনি সব খুজে পেলেন গ্রাফ্রিক্সডিজাইন ও ওয়েবডিজাইন বেশ ভালো কাজ, যার যেমন চাহিদা রয়েছে তেমনি রয়েছে বেশ ভালো টাকা ইনকাম করার সম্ভাবনা ।

কিন্তু প্রথমে তো আপনি দুইটাই শিখতে পারবেন না আপনাকে যেকোন একটা বেছে নিতে হবে আর এই জায়গাইতেই পরি আমরা সবচেয়ে বড় সমস্যায় কারণ হলো আমরা না বুঝে অনতাজে যে কোন একটা শিখা শুরু করি কারণ কাজ দুইটাই বেশ ভালো দুইটাই বেশ ভালো আয় হয়। এই ব্যাপারট মাথায় নিয়েই আমরা শুরু করি কিন্ত যা সবার ক্ষেত্রে সঠিক বাছাই নাও হতে পারে।

ধরুন আপনি শুরু করলেন ওয়েব ডিজাইন এবং সেটা শিখা শুরু করলেন কিন্তু কিছু দিনপর দেখলেন আপনি কোডিং ভালো পারেন না এবং কোডিং আপনি মনে রাখতে পারেন না এবং অনেক সময় ধরে কম্পিউটারের সামনে বসে বসে কোডিং করার কোন মন মানসিকতা আপনার নেই এবং দীর্ঘ ক্ষণ কাজ করার মত ধৈর্য্য আপনার নেই কিন্তু আপনি বেচে নিলেন ওয়বেডিজাইনকে তাহলে নিশ্চই আপনি সফল হবেন না।

তাই কাজ বাছাইয়ের সময় অবশ্যই আপনাকে কাজের চাহিদার পাশাপাশি অবশ্যই আপনার ভালো লাগা খারাপ লাগার বিষটিও বেশ নজর রাখতে হবে। যা আপনারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভূল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

এরপর রয়েছে পরিশ্রম করতে না পারা

আমাদের দেশের অনেক মানুষের একটি বাজে স্বভাব হলো কম প্ররিশ্রমে কিছু একটা করা । আমরা সবসময়ই অল্প পরিসরে সবকিছু চেয়ে থাকি ।বিশেষ করে ছাত্রসমাজ তারা ভাবে ছোট একটা পরিমান ইনকাম হলেই হবে । কিন্তু আমরা এটা ভাবি না যে এতে আমাদের ভবিষ্যত নষ্ট হচ্ছে । ছাত্রসমাজ তাদের প্রচুর সময় নষ্ট করে এসব করার পিছনে। তারা হয়তো নানা রকম এপ এর মাধ্যমে আয় করতে চায় দেখা গেলো তারা সেখান থেকে খুব কম পরিশ্রমে দিনে ১-২ ডলার ইনকাম ও করতে পারলো কিন্তু বিনিময়ে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের এসব ছাত্রসমাজের প্রচুর সময় ।

আপনারা যানেন কিনা একজন দক্ষ কর্মীর ইন্টারনেশনাল এ প্রতি ঘন্টার মার্কেট মূল্য ১০-১০০ ডলার তাহলে কেনো আমরা সারা দিনে ১-২ডলারের জন্য আমাদের সময়কে নষ্ট করবো।

তাই একটু পরিশ্রম হলেও আমরা প্রথমে ভালোভাবে কাজ শিখবো তারপর কাজ করবো । তাহলে আমরা যেমন নিজেরা উন্নত হবো সাথে হবে আমাদের দেশের উন্নয়ন।

কিভাবে একজন ব্লগার হয়ে উঠবেন এবং ব্লগার কি সম্পূর্ণ তথ্য

কিভাবে একজন ব্লগার হয়ে উঠবেন এবং ব্লগার কি সম্পূর্ণ তথ্য

আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করি। এবং আমাদের মনে যা চাই, তা আমরা গুগলে অনুসন্ধান করে জেনে থাকি। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে আমরা কীভাবে এই তথ্যটি পাই। এ  তথ্য আমরা ব্লক থেকে পেয়ে থাকি।

জনগণের সরকারী ও বেসরকারী চাকরি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তো রয়েছে। তবে আজকের দিনে আমাদের দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এ কারণেই আজকের যুবকরা অর্থ ছাড়া খালি হাতে, বাড়িতে বসে থাকতে চায় না। তারা অর্থ উপার্জনের উপায় খুজতে থাকে। যাতে সে তার পরিচয় তৈরি করতে পারে।

আজকের সময়ে, ভাল ক্যারিয়ার গড়ার এবং অর্থ উপার্জনের সেরা উপায় হিসাবে ব্লগিং বিবেচিত হয়। কারণ ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অর্থের পাশাপাশি মানুষের জনপ্রিয়তা পায়। আজকের ভিডিওতে, আমরা আপনাকে ব্লগিং কী এবং কীভাবে ব্লগার হতে হয় সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য জানাবো।

চলুন তবে সর্বপ্রথম আমরা জেনে নেই ব্লগ কি ?

ব্লগ একটি ইংরেজি শব্দ। যা ওয়েবব্লগের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। যা 1998 সালে শুরু হয়েছিল, গুগলের দেয়া একটি বিনামূল্যে পরিষেবা। যার মাধ্যমে একজন বেক্তি তার পুরো কথা বিশ্বের সাথে ভাগ করে নিতে পারে। একজন ব্যক্তি তার ধারণা গুলো সহজে অন্যদের জানাতে ব্লগ বেবহার করে থেকে। ব্লগে লিখিত পোস্টটি প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে যায়। যারা গুগলে এটি সম্পর্কে অনুসন্ধান করে।

ব্লগ একটি ওয়েবসাইটের মতো হয়ে থাকে। যা সম্পূর্ণ ফ্রিতে তৈরি করা যায়। গুগল এটির ইন্টারফেস এমন ভাবে তৈরী করেছে যাতে প্রত্যেকে সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারে। ওয়েবসাইট এবং ব্লগ মধ্যে পার্থক্য, কেবল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য, অনেক ধরণের ওয়েব ডিজাইনিং প্রোগ্রাম এর জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এটি তৈরিতে অর্থের ও প্রয়োজন হয়।

যেখানে ব্লগ একটি ফ্রি সার্ভিস যা বানাতে ওয়েবসাইট এর দরকার হয়ে থাকে। যেমন : ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস, টাম্বলার, মধ্যম, বীবলয়, জম্মল ইত্যাদি দ্বারা কোনো বেক্তি তার ব্লগ খুব সহজে এবং দ্রুততার সাথে বানাতে পারে।

একটি ব্লগ একজন অথবা একটি টীম দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে।ব্লগ মানুষের মাঝে খুব জনপ্রিয়। প্রায় সবাই এটি ব্যবহার করতে পছন্দ করে।

প্রারম্ভিক দিনগুলিতে বিনামূল্যে ব্লগ করা যেত এবং এটি প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যেতে পারে। কারণ ফ্রি ব্লগে সমস্ত বৈশিষ্ট্য নেই।

ব্লগ এর  আঁকার ওয়েবসাইটের তুলনায় ছোট হয়ে থাকে, এজন্য একে ডিজিটাল ডায়রী বলা হয়। ব্লগ পোস্টগুলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন ফেসবুক টুইটার লিংকডইন ইত্যাদিতে ভাগ করা যায়।

এখন বন্ধুরা, ব্লগ কেন লেখা হয় তা এখানে প্রশ্ন আসে।

15 থেকে 20 বছর আগে সময়ে মানুষ তার গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ডায়রিতে লিখতো। এবং বিভিন্ন পত্রিকা, মেগাজিন এর মাধ্যমে সবার সাথে ভাগ করে নিতো। একই ভাবে আজকের আধুনিক যুগে মানুষ ইন্টারনেটে লিখতে পছন্দ করে এবং তা সবার মাঝে ভাগ করে নেয়। আর এটি কে ব্লগ বলা হয়।

ব্লগে যে কোনও বিষয়ে লেখা যেতে পারে। এই বিষয়গুলি সাধারণ এবং বিশেষ হতে পারে। অনেক ব্লগ একটি নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত হয়ে থাকে। এবং নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত সংবাদ বা চিন্তা ভাবনা সরবরাহ করা হয়। যেমন প্রযুক্তি সম্পর্কিত ব্লগ রয়েছে যেখানে নতুন এবং পুরানো প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য দেওয়া হয়। যে ব্লগে লেখালেখি করে, তাকে ব্লগার বলা হয়।

এখন আমরা জানবো ব্লগিং কি  ?


একটি ব্লগ তৈরি করা, এটিতে প্রতিদিন পোস্ট লেখা, এটি প্রকাশ করা এবং  ব্লগটি সঠিকভাবে ডিজাইন করা, এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপকে ব্লকিং বলা হয়। একটি ব্লগ পোস্ট লেখার জন্য ব্লগের নকশা করা।  পোস্টে আসা মন্তব্যের জবাব দেওয়া, একইভাবে ব্লগ চালানোর জন্য ব্লগার যাই কিছু করে থাকে, আমরা এটিকে সাধারণত ব্লগিং বলি।

ব্লগের মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করা যায়। স্পোর্টস, এন্টারটেইনমেন্ট, হেলথ, টেকনোলজি, সায়েন্সের মতো যে কোনও বিষয়ে ব্লগিং করা যায়।

ব্লগিং দুটি বিভাগে বিভক্ত, একটি ব্যক্তিগত এবং অন্যটি পেশাদার ব্লগিং।

পার্সোনাল ব্লগিং:

একজন বেক্তি তার নিজের অথবা অন্যের জীবনে ঘটে যাওয়া কাহিনী ও বিভিন্ন গল্প পার্সোনাল ব্লগিং এর মাধ্যমে তুলে ধরে। পার্সোনাল ব্লগিং সাধারনত বিভিন্ন সেলিব্রেটি ও ধোনি বেক্তিরা করে থাকে যাতে তাদের কথা আমাদের এবং তাদের যে ফ্যান থাকে সবার মাঝে পৌঁছে যায়।

এই ব্লগিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যাই না। এটি শুধু শখের বসত করা হয়ে থাকে।

পার্সোনাল ব্লগ বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের নিয়ে লেখা হয়। এজন্য আমরা এটি পড়তে পছন্দ করি এবং তাদের শিল্প সম্পর্কে সহজে জানতে পারি।

 প্রফেশনাল ব্লগিং ওই বেক্তি করে যে তার ব্লগিং কে ব্যবসা হিসেবে বিবেচনা করে। এখন থেকে সে এত বেশি অর্থ উপার্জন করে যে তার প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ ও তার স্বপ্নগুলি পূরণ করতে পারে।

পেশাদার ব্লগিং:

 প্রফেশনাল ব্লগিং ওই বেক্তি করে যে তার ব্লগিং কে ব্যবসা হিসেবে বিবেচনা করে। এখান থেকে সে এত বেশি অর্থ উপার্জন করে যে তার প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ, ও তার স্বপ্নগুলি পূরণ করতে পারে।

প্রফেশনাল ব্লগিং করার জন্য ভাল পরিকল্পনা, কঠোর পরিশ্রম এবং এতে কাজ করার জন্য সময় প্রয়োজন, তবেই কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল পাওয়া যায়। পেশাদার ব্লগার অর্থ উপার্জনের জন্য বিভিন্ন উপায়ে ব্লগগুলি মনিটাইজেশন করে থাকে।

Like Google Adsense, Membership, Affiliate marketing, Donation, Online Courses, etc. Google Adsense is the most effective way to earn money.

পেশাদার ব্লগার ব্যক্তিগত ব্লগার এর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

আপনি যদি লিখতে পসন্দ করেন, তাহলে আপনি সহজেই ব্লগিংয়ের পথে যেতে পারেন। আপনি যদি ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ভাল অর্থ উপার্জন করতে চান, তবে এর জন্য আপনার আরও ভাল পরিকল্পনা কঠোর পরিশ্রম এবং ধীর পরিশ্রম প্রয়োজন। ব্লগিং থেকে অর্থ উপার্যন করা ওতটা সহজ নয়, এবং আপনি যদি ভাবেন যে আপনি আজ ব্লগিং শুরু করেছেন এবং আগামীকাল থেকে অর্থ আসতে শুরু করবে, তাহলে আপনি সম্পূর্ণ ভুল ভেবেছেন।

টির জন্য আপনার প্রয়োজন কেবল কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য্য

এবং এখন আপনি কীভাবে একজন ব্লগার হয়ে উঠবেন এবং এর জন্য আপনার কী করা দরকার. ব্লগার সেই ব্যক্তি যিনি সময়ে সময়ে একটি ব্লগে পোস্ট লেখেন, এটি ব্লগার হওয়ার জন্য কোনও বিশেষ যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। যেমন একজন শিক্ষার্থী গৃহিণী একজন ব্যবসায়ী, একজন বয়স্ক ব্যক্তি সবাই ব্লগিং করতে পারে। যার কিছু লেখার আছে এবং যে লিখতে পসন্দ করে, তার কেবল ইন্টারনেট এবং ব্লগিং সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা প্রয়োজন।

এগুলি ছাড়াও আপনার নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, আপনি কোন বিষয়ের উপর বিশেষজ্ঞ, কোন বিষয়ের আপনি অনেক বেশি লিখতে পারবেন,  ঠিক সেই বিষয় বাছাই করতে হবে, যাকে একটি বিষয় বলা হয়। প্রথমত, আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি কোন বিষয়ে অন্যের চেয়ে ভাল এবং মজাদার লিখতে পারেন, এই পৃথিবীতে কয়েক মিলিয়ন লোক রয়েছে এবং এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যারা প্রতিদিন কিছুই না কিছুই লিখে থাকে যারা তা পারে। যেমন ফ্যাশন খাদ্য ফিটনেস, নতুন শৈলী, মামলা, সিনেমা, প্রযুক্তি ইত্যাদি এসব বিষয়ে লেখা যেতে পারে।

এগুলি ব্যতীত যে কোনও বিষয় লেখা যেতে পারে তবে আপনার পছন্দের বিষয় হওয়া উচিত, যার উপর আপনি ক্লান্তিহীন লিখতে পারেন। আপনি যদি চান তবে আপনি নিজের ব্লগে একাধিক বিষয়ে লিখতে পারেন। ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করতে, ব্লগে ভাল ট্র্যাফিকের প্রয়োজন। একজন ব্লগারকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় ভাল ট্র্যাফিক পেতে। এবং ভাল ট্র্যাফিক পাওয়ার জন্য কনটেন্ট লিখা অত্যান্ত প্রয়োজন।

ব্লগকে সফলভাবে চালানোর জন্য কেবল কনটেন্ট লেখা নয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কিছু করা এবং লক্ষ্য নির্ধারণ। কোন বিষয়গুলি কভার করতে হবে এবং সপ্তাহে কত বার নিবন্ধ প্রকাশ করতে হবে, নিবন্ধটি লেখার জন্য গবেষণা করা। একটি বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত কীওয়ার্ডগুলি সন্ধান করা, যা পোস্টের জন্য সঠিক চিত্র তরী করা, ব্লকের ডিজাইনের সময় পরিবর্তন করতে করা এবং অন্যান্য সমস্যাগুলি ঠিক করা, তারপরে পোস্টটি বিভিন্ন সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করতে হবে। উত্তরটি অন্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন এবং একে অপরকে সমর্থন করা।

এই সমস্ত কাজ এবং যদি আপনি নিজের মূল্যবান সময়টি ব্লগে ব্যয় করতে চান তবে আপনি অবশ্যই একটি দুর্দান্ত ব্লগার হয়ে উঠতে পারেন। ব্লগ এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি তার চিন্তাভাবনা, মতামত এবং তার জ্ঞানকে মানুষের সামনে তুলে ধরে। যেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন জিনিস রাখতে হয়, এবং ব্যবহারকারীরা সর্বদা নতুন জিনিস শিখতে পান।

আশা করি আপনি কীভাবে ব্লগের হওয়া যায় এবং ব্লগার কি, এ সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য আপনি পেয়েছেন। আপনার যদি ব্লগিং সম্পর্কে কোনও সমস্যা হয় তবে নীচের মন্তব্যে করুন।

আশা করি আপনি কীভাবে ব্লগের হওয়া যায় এবং ব্লগার কি, এ সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য আপনি পেয়েছেন। আপনার যদি ব্লগিং সম্পর্কে কোনও সমস্যা হয় তবে নীচের মন্তব্যে করুন। যদি আপনি আমাদের এই পোস্টি পছন্দ করেন তবে যথাসম্ভব শেয়ার করুন যাতে এই তথ্যটি বাকী লোকের কাছে পৌঁছে যায়।

Notification
This is just an example, you can fill it later with your own note.
Done